Welcome to Rajshahi Collegiate School |  History

History

Home » History

দেশের প্রথম ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ইতিহাস

 

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল দেশের প্রথম ও অতি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সম্ভাবনাময় প্রতিভার সুপ্তবীজ সম্বলিত এই বিদ্যাপীঠ তার স্বীয় অস্তিত্বের ইতিহাস। ঐশ্বর্য্যও ঐতিহ্যকে স্বযত্নে লালন করে আসছে সুদীর্ঘ পৌনে দুইশতাধিককালব্যাপী। দেশের ইংরেজী শিক্ষার প্রসার লাভের জন্য লর্ড ইউলিয়াম বেন্টিং তার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা ও উৎসাহে ১৮২৮ সালে “বউলিয়া ইংলিশ স্কুল” নামে সর্বপ্রথম এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। পদ্মানদীর তীরে বড়কুঠির কাছাকাছি খড়ের দোচালা ঘরে টাইল নির্মিত বারান্দায় এর প্রথম কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমদিকে এটি ছিল একটি অবৈতনিক প্রাইভেট স্কুল। সেসময় স্কুলের জন্য কোন সরকারী সাহায্য বরাদ্দ ছিলনা। সুতরাং রাজশাহীতে বসবাসকারী ইংরেজ কর্মকর্তা, আইনব্যবসায়ী এবং নাটোর দিঘাপতিয়া, দুবলহাটি, পুঠিয়া ও বলিহারের জমিদারদের সাহায্য ও সহযোগিতায় স্কুলটি চলতে থাকে। এদেশের তৎকালীন শিক্ষা বিস্তারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউলিয়াম অ্যাডাম ১৮৩৫ সালে নাটোরে শিক্ষা জরিপ শেষে রাজশাহী বউলিয়া স্কুল পরিদর্শনের পর সরকারের কাছে স্কুলের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তুলে ধরলে ১৮৩৬ সালে ২০ জুন স্কুলটিকে সরকারীকরণ করা হয় এবং এটি রাজশাহী জেলা স্কুল হিসেবে অধিগ্রহণ করে রাজশাহীর কৃতিসন্তান সারদা প্রসাদ বসুকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। সেই বছর স্কুলের মোট ছাত্র ছিল ৮৩ জন, যার মধ্যে ৭৮ জন হিন্দু, ২ জন মুসলমান এবং ৩ জন খ্রীষ্টান। ১৮৩৬ সালে ছাত্র সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮৮ জন । স্কুলের শিক্ষার মান ছিল অনেক উন্নত।

 

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের দেড়শত বছরপূর্তিতে (১৯৮৬সালে) সিকান্দার আবু জাফর লিখেছেন, ব্রিটিশ শাসনআমলে তৎকালীন অখন্ড বাংলায় ১৮৩৬ সালে যে তিনটি স্কুল সরকারি উচ্চমাধ্যমিক স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় তার মধ্যে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল একটি, অন্য দু’টি হচ্ছে কলকাতার হেয়ারস্কুল এবং মুর্শিদাবাদ ইংলিশ হাই স্কুল। ১৮৫০ সালে প্রথমবারের মত উঁচু শ্রেণীর মাথাপিছু ১ টাকা হারে বেতন ধার্য করা হয়। ফলে ছাত্র সংখ্যা কিছু কমে যায়। ১৮৪৪ ও ১৮৪৫ সালে ১জন করে মোট ২ জন এবং ১৮৪৭ সালে তিন জন ছাত্র জুনিয়র বৃত্তি লাভ করে। ১৮৪৯ সালে স্কুলে একটি প্রশস্ত পাকা ভবন নির্মিত হয়। ১৮৫৭ সালে ছাত্র সংখ্যা হয় ১৪৬ জন।
সেই সময় কোন শিক্ষা বোর্ড ছিল না। অভিবক্ত বাংলায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রবেশিকা (বর্তমান এস.এস.সি.) পরীক্ষা হত। ১৯৫৮ সালে স্কুলটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন লাভ করে। সেই বছরই মেধাবী ছাত্র মোহিনী মোহন চক্রবর্তী প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১০ টাকা মেধা বৃত্তি লাভ করে। এসময় ছাত্র বেতন বৃদ্ধি করা হয় ২ টাকা। সে বছর স্কুলে ছাত্র ছিল ২১৫ জন। এক পর্যায়ে বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনটি পদ্মানদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। ফলে ভাড়া করা একটি বাড়িতে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলতে থাকে। পুঠিয়ার রাজা যোগেন্দ্র নারায়নরায়ের আর্থিক সহায়তায় ১৮৬২ সালে বিদ্যালয়টির বর্তমান জায়গায় কয়েকটি কক্ষ নির্মাণ করা হয়।

 

১৮৭৩ সালে বউলিয়া সরকারি ইংলিশ স্কুলের সঙ্গে মহাবিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণী সংযোজিত হয়। সম্ভবত তখন থেকেই এর নাম করণ হয় “রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল”। ১৮৭৪ সালে পুঠিয়ার মহারাণী শরৎসুন্দরী দেবীর আর্থিক সহায়তায় স্কুলের অতিরিক্ত দুইটি নতুন ভবন নির্মিত হয়। ১৮৭৫ সালের এন্ট্রান্স পরীক্ষায় ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯ জন পাশ করে। তৎকালীন সময়ে এটি স্কুলের উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ১৮৮৪ সালে কলেজের শ্রেণী দু’টিকে পৃথক করে বর্তমান রাজশাহী সরকারি কলেজে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তখন স্কুলটি কলেজ প্রশাসনের অধীনে চলতে থাকে।

 

বাংলার গভর্ণর ফুলার সাহেবের আর্থিক সহায়তায় এবং রাজনীতিবিদ খানবাহাদুর এমাদুদ্দিন সাহেবের সক্রিয় সহযোগিতায় ১৯০৭ সালে ফুলার হোস্টেলটি নির্মিত হয়। ঐ বছরই বিদ্যালয়ের জন্য পৃথক হিন্দু হোস্টেল নির্মাণ করা হয়। ১৯১২ সালে বাংলার গভর্ণর প্রথমবারের মত স্কুলটি পরিদর্শনে আসেন। সেসময় ছাত্র সংখ্যা ছিল ৫০০ জন। ১৯২৬ সালে হিন্দু হোস্টেলটি রাজা প্রমথনাথ (পি.এন) হোস্টেলে স্থানান্তরিত করা হয়।

 

১৯৩০ সালে বৃটিশ বিরোধী রাজনৈতিক তৎপরতার কারণে স্কুলের ছাত্র সংখ্যা হ্রাস পেয়ে প্রায় ৩০০ জনে নেমে আসে। এই বছর স্কুলের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য সংযোজন ঘটে

(১) বয় স্কাউট দল গঠন

(২) জুনিয়র রেডক্রস সংগঠন এবং

(৩) প্রথমবারের মত স্কুলের বার্ষিক ম্যাগাজিন প্রকাশনা।

 

১৯৩৬ সালে স্কুলের ছাত্ররা জ্যাকশন শিল্ডও ১৯৪০ সালে ব্রাবোন শিল্ড জয় করে খেলাধুলাতে ও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে। ১৯৪০ সালে স্কুলের লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ঐ সালেই সায়েন্স গ্যালারী নির্মিত হয় (যা ১৯৯২ সালে পরিত্যাক্ত ঘোষিত হওয়ায় ভেঙে ফেলা হয়)। ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত স্কুলটি রাজশাহী শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে এবং ল্যাবরেটরী স্কুল হিসেবে কাজ করে। ১৯৬৯ সালে স্কুলটি পুনরায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পরিদপ্তরের উপ-পরিচালকের নিয়ন্ত্রণাধীনে আসে। ১৯৫৯ সালে প্রদেশের অন্যান্য স্কুল গুলির মধ্যে এই স্কুলটিকে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অধীনে একটি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মর্যাদায় উন্নীত করা হয়। ১৯৬২ সালে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি দোতলা বিজ্ঞান ভবনও একটি ওয়ার্কশপ নির্মাণ করা হয়। ১৯৬৩ সালে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মিত হয় যা কলেজ থেকে স্কুলটি কে সম্পূর্ণ পৃথক করে ফেলে।

 

১৯৬৪ সালে প্রথমবারের মত প্রভাতী শাখা খোলা হয়। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রভাতী শাখায় ৩য় থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণী এবং দিবা শাখায় ৭ম থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান কর্মসূচী চালু ছিল। ১৯৯১ সালের মে মাস থেকে সরকারি এক আদেশে বিদ্যালয়ে পুরোপুরি ‘ডাবলশিফট’ কার্যক্রম শুরু হয় এবং তখন থেকেই প্রভাতী শাখায় ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রতি শ্রেণীতে দু’টি করে এবং দিবাকালীন শাখায়ও ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রতি শ্রেণীতে দু’টিকরে শাখায় পাঠদান কার্যক্রম চালু আছে।

 

স্কুলের জমির পরিমাণ ০.৯৭২৫ একর। এই জমি কিভাবে প্রাপ্ত সেসম্পর্কিত কোন রেকর্ড বা তথ্য পাওয়া সম্ভব হয় নাই। এর মধ্যে কিছু জমি (পরিমাণ জানা যায়নি) শহরের রাস্তা সম্প্রসারণের সময় সরকারি আদেশে ছেড়ে দিতে হয়।

 

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদার প্রেক্ষিতে স্কুলের স্বার্থে এখন স্কুল প্রাঙ্গনে বেশকয়েকটি নতুন বহুতল ভবন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 

১৯৩৬ সালে স্কুলের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হয়। ছাত্র শিক্ষক ও স্থানীয় হিতৈষী জনগণের প্রচেষ্টায় সে আমলের প্রায়লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে অনুষ্ঠানটি সাড়ম্বরে পালিত হয়। ১৯৮৬ সালের জানুয়ারী মাসের ২৪ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ১৫০ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়। এ বর্ষপূর্তি উৎসবে স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র (ম্যাট্রিক১৯৪৬) ফেডারেল ইন্সুলেন্স কোম্পানী, বাংলাদেশ এর তৎকালীন চেয়ারম্যান মরহুম এ.এইচ.এম. আব্দুল মতিন প্রদত্ত প্রায় ৮২ হাজার টাকায় (প্রথমে ৫৪ হাজার পরে ২৮ হাজার) “আব্দুল মতিন মেধাবৃত্তি” চালু করা হয়।

 

২০০৮ সালে এস্কুলে একাদশ শ্রেণী চালু করা হয় এবং এ শ্রেণীতে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শাখা খোলা হয়। ২০১০ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বপ্রথম এইচ.এস.সি. পরীক্ষায় ছাত্ররা অংশ গ্রহণ করে। বর্তমান ৩য় শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পরিচালিত বিদ্যালয়টি তার অতীত ঐতিহ্য বজায় রেখে শিক্ষা ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রেখেছে। অত্রবিদ্যালয়ের বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল তুলে ধরা হলো:

 

প্রাথমিক সমাপনী

সাল

মোটছাত্র

জিপিএ ৫

পাশেরহার

মন্তব্য

২০১০

১৭৩

১৭০

১০০%

২০১১

১৭৬

১০৭

১০০%

২০১২

১৬৭

১৫১

১০০%

২০১৩

১৭৫

১৫৭

১০০%

২০১৪

১৭৭

১৭৬

১০০%

 

জে. এস. সি

সাল

মোটছাত্র

জিপিএ ৫

পাশেরহার

মন্তব্য

২০১০

১৮৭

৪৩

১০০%

২০১১

১২২

৯৫

১০০%

২০১২

১৩৯

১৩৭

১০০%

২০১৩

১৭৫

১৫৭

১০০%

২০১৪

১৯৬

১৬৪

১০০%

 

এস. এস. সি

সাল

মোটছাত্র

জিপিএ ৫

পাশেরহার

মন্তব্য

২০১০

২০৮

১৬০

১০০%

২০১১

২০১

১৫১

১০০%

২০১২

২০৭

১৭০

১০০%

২০১৩

২০২

১৬৩

১০০%

২০১৪

২২৮

২১৩

১০০%

 

এইচ. এস. সি

সাল

মোটছাত্র

জিপিএ ৫

পাশেরহার

মন্তব্য

২০১০

৯৯

২৬

৯৬%

২০১১

১১০

১৭

৯৫%

২০১২

১১৮

১৪

৯৩%

২০১৩

১৪১

২৭

৯৯%

২০১৪

১১০

২৭

৯৯%

 


 

The History of the First and Tradition Bearing Institution
Rajshahi Collegiate School

 
 

Rajshahi Collegiate School is the first and oldest school in the country and has a long tradition and reputation of spreading the light of education. Throughout the country the school has produced thousands of qualified citizens to serve the nation. The school has been fostering its tradition for more than 182 years. Lord William Benting from his personal effort and enthusiasm established this school in 1828 and named it “Bawlia English School” to spread English language all over the country. The activities of the school began on the verenda of a dochala room made of tile near Borokuthi on the bank of the river Padma. At the beginning it was a private and full free school. At that time there was no allocation of government fund for the school. So, the school continued with the assistance and cooperation from the European officers, lawyers, businessmen, men of other professionals, the rajas and zamidars of Puthia, Dubalhati, Dighapatiya, Bolihar and others living in Rajshahi. But the school received William Adam’s recommendation in 1835 after a visit to the school. The school was nationalized on 20 June 1836 after the recommendation had been sent to the government. The government took up the Boalia School as Rajshahi Zilla School and appointed ShardaParashadBosu as the Head Master. In that year the total students of the school were 83. Among them 78 were Hindus, 2 Muslims and 3 Christians. In 1836 the student increased to 188. The standard of education was very high.

 

In its 150th celebration (1986) Sekander Abu Jafore wrote Rajshahi Collegiate School is one of the three government and Higher Secondary Schools in the then undivided Bengal during British reign in 1836. The another two were. Hare School of Kolkata and Murshidabad English High School in 1850 TK 1 was fixed as free for each student of higher classes. As a result the number of students decreased. In 1844 and 1845, 1 student in both year and in 1847, 3 students got junior scholarship. In 1849 a spacious brick-built building was built in 1857 the total students rose to 146.

 

At that time there was no education board. Probeshika (now SSS) Examination held under Kolkata University in undivided Bengal. The School achieved approval of Kolkata University in 1958. In that very year, a meritorious student Mohini Mohan Chakra Borty was rewarded a Tk. 10 talent Pool Scholarship after passing Probeshika Examination. Student fees increased TK 2 at this time. The total Number of Students was 215 that year. A time came when the newly built building broke down and fell into the river Padma. As a result, the activities of the school were going on in a rented house. A few rooms were built in 1862 at the present place of the school with financial assistance of the then king of PuthiaJogendrow Narayan Roy.

 

In 1873 two rooms of College were added to Boalia government English school. Most probably, since then, the school was named Rajshahi Collegiate School. In 1874 two additional buildings of the school were built with the financial assistance of the great queen ShorotSundory Devi of Puthia. In 1875, 19 students out of 38 passed Entrance Examination. At that time it was a mentionable success. In 1884 two classes of the college were separated and added to present Rajshahi Government College but the school went on under College administration.

 

In 1907 Fuller Hostel was built with the financial assistance of the then governor of Bengal Mr. Fuller and with the active cooperation of politician Mr. Khan BahadurEmaduddin. In that very year a separate Hindu Hostel was built for the school. 1912 the then governor the Bengal came to visit the school for the first time. The total students were 500 then. In 1926 then Hindu hostel was placed to raja Promothnath (P.N) hostel.
In 1930 the students of the school decreased to 300 for Anti British political movement. In school history the mentionable additions this year were :

  1. Formation of Boy Scout
  2. Organisation of junior Red Cross
  3. Publication of Annual School Magazine.

 

Students of this school showed sign of credit in sports and they won Jackson Shield in 1936 and Brarbon Shield in 1940. A library for the school was established in 1940 A science gallery was also built in the same year (In 1992 it was declared ABANDONED and broken down). From 1954 to 1964 the school was under Rajshahi Teachers Training College and it worked as a laboratory school. In 1969 the school again came under Deputy Director, Secondary and Higher Education. In 1959 the school was promoted to a pilot secondary school under Board Foundation among other schools of the province. In 1962 a two-storied science building and a workshop were built at the cost of 1 lac 10 thousand taka. In 1963 the boundary wall of the school separated both Rajshahi Collegiate School and Rajshahi College.

 

Morning Shift Started for the first time in 1964. Until 1990 Morning shift was from class three to six and Day shift was from class seven to ten. In May 1991 by a government order “Double Shift” was fully introduced. At present Morning Shift runs from class 3 to 10 and Day shift also runs from 3 to 10 having 2 sections in each class and each shift.

 
The school encompasses 0.9725 acres of land. Any source or information regarding how the land was obtained is not found out. An unknown amount of land was acquired by the government from the total land for road extension.
 
For the increasing demand of population several multi-storied buildings have been constructed in the school campus to accommodate more students.
 
In 1936 the first anniversary of the school was celebrated in a befitting manner at the cost of more than 1 lac taka at that time by the efforts of students, teachers and local people.
 

In January 1986 (24 to 26 January) the 150th anniversary of the school was celebrated through much encouragement and enthusiasm. An ex-student Abdul Matin (batch-1946) the then chairman of Fedarel Insurance Company, Bangladesh gave away 82 thousand taka (firstly 54 thousand then 28 thousand) to the school to introduce Abdul Matintalency scholarship in this 150th anniversary.

In 2008 Eleven Class was opened in science and commerce group. In 2011 the students first appeared at the HSC examination. Total examinee was 99. Among them from science group the number of appeared students was 74 and 26 students obtained GPA 5.00 including 7 golden A+. Passing rate from science group was 97.3%. From commerce group the number of appeared student was 25 and passing rate 92%.